মাত্র ১৮ মাসে তুরস্কে ২২ হাজার শিশু অন্তঃসত্ত্বা!

চলতি বছরের শুরুতেও পার্লামেন্টে এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। দুটি হাসপাতালে নিবন্ধন ছাড়াই অন্তঃসত্ত্বা শিশুদের ভর্তি করার সংবাদ তখন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। ১১৫ অন্তঃসত্ত্বা শিশুর মধ্যে ৩৮ জনের বয়স ছিল ১৫ বছরের কম।
তুরস্কের আঙ্কারা বার অ্যাসোসিয়েশনের শিশু অধিকার কেন্দ্রের সহসভাপতি এমরাহ সাহিন এই সংখ্যা কেবল দেখানোর জন্য। আসলে গর্ভধারণের তো কোনো হিসাব নেই। আসল সংখ্যা ৪০ থেকে ৪৫ হাজারের মধ্যে হবে বলেও আশঙ্কা তার। তুরস্কের বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যে এই ১৮ মাসে শিশু গর্ভধারণ ও শিশু যৌন নির্যাতনে দায়ের করা মামলার হিসাবে কিছুটা গরমিল দেখা দিয়েছে।
তুরস্কের মোট জনসংখ্যা প্রায় আট কোটি, সেখানে ২০১৭ সালেই শিশু যৌন নির্যাতনের মামলা হয়েছে ৩৫ হাজার ৮৯৬টি। ফলে শিশু গর্ভধারণের ঘটনাগুলোর মধ্যে কটি যে পুলিশকে জানানো হয়েছে, এ নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।
২০১৬ সালে ১৫ বছরের কম বয়সী মেয়েদের সন্তান জন্মদানের ঘটনা ঘটেছে ২৩৪টি। ১৫ থেকে ১৭ বছরের মেয়ের ক্ষেত্রে এ সংখ্যা ১৬ হাজার ৩৯৬ টি বলে জাতীয় পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউটের তথ্যে উঠে আসে।
তুরস্কে যৌন সম্পর্কে সম্মতির বয়স ১৮, সুতরাং ১৭ বছর বা তার কম বয়সের কেউ সম্মতি দিলেও আইন অনুযায়ী তা ধর্ষণ বলে গণ্য হবে। দেশটিতে বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ হলেও ১৭ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে বাবা-মা বা অভিভাবকের সম্মতিতে অনানুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করতে পারেন।