পুরনো হলেও ফেলে না দিয়ে কাজে লাগান ওষুধ !
কলকাতা টাইমস :
ওষুদ আমাদের অতি প্রয়োজনীয় উপকরণ। ছোট-বড় রোগে প্রায়ই আমরা ঔষধ সেবন করে থাকি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় জ্বর কিংবা ছোট-খাট অসুখ হলে ডাক্তার দেখিয়ে এক কোর্স ঔষধ নিয়ে আসি। কিন্তু দুই/একদিন পর সুস্থ হয়ে গেলেই সে ওষুদ সেবন বন্ধ করে দেই। তার পর কিছুদিন বাদবাকি ঔষধ গুলো ঘরে রেখে দেওয়াতে ডেইট ওভার হয়ে যায়। কিংবা নষ্ট হয়ে যায়।
তাছাড়া বেশির ভাগ লোকই ডাস্টবিনে অন্য সব ময়লার সাথে ফেলে দেন। আপনি কি জানেন, এভাবে কোনোরকম চিন্তা না করে ঔষধ ফেলে দেওয়াটা যে কতবড় ভুল?
অ্যামেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটির মতে, এসব ঔষুধ পানি দূষণের পাশাপাশি আপনি যে পানি পান করছেন সেটাকেও দূষিত করছে। এই দূষণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জলজ প্রাণীরা এমনকি মানুষেরাও। এই দূষণের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি বটে। আমাদের দেশে ইতোমধ্যেই পানি দূষণ বেশ লক্ষ্য করা যায়, এক্ষেত্রে পানিতে আরও রাসায়নিক না মেশানোই আমাদের উচিত।
ঔষধ গুলোকে যেমন-তেমনভাবে ফেলে না দিয়ে আপনি কিছু কাজ করতে পারেন, যেমন-
ঔষধের যদি এক্সপায়ারি ডেট পার না হয়ে যায়, তাহলে পরিচিত কোনো ফার্মাসিতে যোগাযোগ করে ঔষধ গুলো ফিরিয়ে দিতে পারেন।
আশেপাশের হাসপাতালগুলোতেও খোঁজ নিতে পারেন যে তারা এই ধরণের ঔষধ গ্রহণ করে কিনা।
আপনার ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করতে পারেন আপনাকে দেওয়া ঔষধ কীভাবে ফেলে দেওয়াটা নিরাপদ।
নিজেই যদি ঔষধ ফেলে দিতে চান, তাহলে এগুলো তাদের বোতল, বক্স, ফাইল বা কৌটা থেকে বের করুন আর কফির গুঁড়ো, মাটি বা বালির সাথে মিশিয়ে ফেলুন। এরপর একটা
মোটা প্লাস্টিকের প্যাকেটে ঢুকিয়ে প্যাকেট শক্ত করে বেঁধে ফেলুন। তারপরে এগুলো ডাস্টবিনে ফেলুন।
সম্ভব হলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ঔষধ কেনা থেকে বিরত থাকুন এবং দরকার না থাকলে যত দ্রুত সম্ভব ফার্মাসিতে ফেরত দিয়ে আসুন। তাহলে আর মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ নিয়ে কী করবেন সে চিন্তায় পড়তে হবে না।