মোদী, যোগীকে গালমন্দ করে ৩ বছরের জেল, বিধায়ক পদও গেল সমাজবাদী নেতা আজমের

কলকাতা টাইমস :
সমাজবাদী পার্টির নেতা এবং উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী আজম খানকে বৃহস্পতিবার ঘৃণা ভাষণের দায়ে অভিযুক্ত করে তিন বছর কারাবাসের সাজা দিয়েছে রামপুরের একটি আদালত। এ বছরের গোড়ায় জেল থেকে মুক্তি পেয়ে রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনে জয়ী হন আজম খান। বিধানসভায় জয়ের পর রামপুরের সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। আজ আদালত তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় তাঁর বিধায়ক পদও চলে গেল।
দু’ বছরের বেশি সাজা হলে বিধায়ক, সাংসদ, মন্ত্রী পদে থাকা যায় না। শুধু তাই নয়, সাজার মেয়াদ শেষে আরও ছয় বছর নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া যায় না। ফলে আজমের রাজনৈতিক জীবনের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল আজকের রায়। আগে নিয়ম ছিল নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করে বিধায়ক, সাংসদ থাকা যেত। কিন্তু ২০১৩-তে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে সেই অধিকার বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। ফলে জেলে গিয়ে তবেই আইনি লড়াই চালানো যাবে।
সমাজবাদী পার্টির জন্য আজম খানের সাজা বড় ধাক্কা। ১৯৯১-এ মুলায়ম সিং যাদবেব সঙ্গে কাঁধে কাঁধ রেখে যাঁরা সমাজবাদী পার্টি গড়ে তুলেছিলেন আজম খান তাঁদের অন্যতম। বলা হয়, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের একাংশে জাত, ধর্ম নির্বিশেষে তাঁর জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। অখিলেশ রাজনীতিতে আসার আগে মুলায়মের সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন আজম খানই। তা নিয়ে দলে অন্তর্বিরোধের শেষ ছিল না। সেই তিনিই তিন বছরের জন্য জেলে আটকে থাকলেন।